খাদ্য গুদামে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী রিতা

সাটুরিয়া প্রতিনিধি | ২৯ আগস্ট

খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। তিনি বলেছেন, দেশের কোনো খাদ্যগুদামে অনিয়ম পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলার খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করা হবে এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া গিরিশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্য নিরাপদ না হলে মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে। তাই খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাই আমার মন্ত্রণালয়ের প্রথম কাজ।’

তিনি বলেন, দেশের খাদ্যগুদামগুলোতে খাদ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা কঠোরভাবে তদারকি করা হবে। ইতোমধ্যে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় একটি খাদ্যগুদামে অনিয়ম পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে জানিয়ে আফরোজা খানম রিতা বলেন, যেকোনো দুর্যোগ বা সংকট মোকাবিলায় যেন খাদ্য নিয়ে কোনো সমস্যা না হয়, সে জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রাখা হচ্ছে। খাদ্য মজুতের পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

দেশে সার সংকটের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে কোনো সার সংকট নেই। কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক হয়েছে। সেখানে দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত থাকার কথা জানানো হয়েছে। তবে কোথাও কোথাও সার বিতরণে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকতে পারে। এ কারণে চলতি রোপা আমন মৌসুমে ধান উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা নেই।
‘দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ শিগগিরই শুরু’

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া-রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও পাবনার কাজিরহাট নৌরুটে ওয়াই-প্যাটার্নে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের সমীক্ষাসহ প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খুব দ্রুতই দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ শুরুর বিষয়ে দেশবাসীকে জানানো হবে।

অনুষ্ঠানে ধানকোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম জুয়েলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছ খান মজলিশ মখান, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সরকার।

সাটুরিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মুহাম্মদ আমির হামজা ও যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বকুলের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আওয়াল খান, সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন আযাদ বিপ্লব, সাটুরিয়া কৃষক দলের সভাপতি বরকত মল্লিকসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মানিকগঞ্জ২৪/ হা.ফ/ ২৯ আগষ্ট ২০২৬।

আরো পড়ুুন