মানিকগঞ্জের ৪ টি উপজেলা বন্যায় বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। হরিরামপুর উপজেলার ১৩ টির
মধ্যে ১১ টি ইউনিয়ন পানিবন্ধী হয়েছে। তাছাড়া শুক্রবার সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ, তিল্লি
ও দিঘুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। জেলার দৌলতপুর, শিবালয়,
হরিরামপুর এবং সাটরিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগস্ত হয়েছে। তাছাড়া সিংগাইর, মানিকগঞ্জ
সদর এবং ঘিওর এলাকার নিচু এলাকার অঞ্চলের প্রায়
এক লক্ষ লোক পানিবন্ধী হয়েছে।
ফষলি জমি, পুকুর বানের পানিতে তলিয়ে গেছে। উপজেলা থেকে আঞ্চলিক সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
ছোট ছোট ব্রীজ তীব্র স্রোতে অন্যত্র সড়ে গেছে। নদী তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা
দিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছে।
কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক মোঃ আলিমু্জ্জামান মিঞা জানান, জেলার ৭টি উপজেলার
মধ্যে হরিরাপমুর, শিবালয়, দৌলতপুর এবং সাটুরিয়ায় সবচেয়ে বেশী ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছে। এসব
এলাকার হাজার হাজার হেক্টর জমির ফষল নষ্ট হয়েগেছে। বিশেষ করে হরিরামপুর উপজেলার এমন
কোন ইউনিয়ন নেই ফষলি জমি না ডুবছে পানিতে।
মরিচ ক্ষেত ও সবজি চাষের জন্য বিক্ষাত সাটুরিয়া উপজেলায় বন্যার পানিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
হয়েছে। তবে তাৎক্ষনিত ভাবে ক্ষয়ক্ষতি পরিমাপ করা যায় নি।
অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি উঠাতে এবং আ্শ্রয় কেন্দ্র খোলার কারনে বিদ্যালয়
বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।
কর্মকর্তা হাসিনা আক্তার শুক্রবার বিকালে
জানান, কতগুলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে, তার তালিকা এখন পযন্ত তার নিকট
আসে নি। তবে তার ৭টি উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তারা এ বিষয়ে মনিটরিং করছে।
জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নের্তৃত্বে
আমরা ইতিমধ্যে বন্যা পরিস্থিতির
খোঁজ খবর নিতে ও ত্রাণ
কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকের
কার্যালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে যা
সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
আগস্ট/ ২০১৭।


