![]() |
| মামলার কপি |
এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষন চেষ্টায় ব্যর্থ হয় ষাট বছরের বৃদ্ধ গৌরপদ এক ব্যক্তি । ঐ ঘটনায় বিচারের আশায় থানায় মামলা করেন
ওই স্কুলছাত্রীর গার্মেন্টস কর্মী মা। এরপর থেকেই মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন কৌশলে চাপ প্রয়োগ
করে যাচ্ছে গৌরপদ পরিবারের লোকজন।
আট্টিগ্রাম ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামের মৃত. ফকির সাধুর ছেলে গৌরপদ। চলতি বছরের ৩ ই মে
বিকেল ৪ টার দিকে ওই এলাকার বদর উদ্দিনের ভূট্টা ক্ষেতে নিয়ে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষন চেষ্টা চালায়।
স্পর্শকাতর জায়গাগুলো কামড়ে দেয় সে। এসময় শিশুটি চিৎকার করলে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়
গৌরপদ। পরে ওই শিশুটির নানী ও স্থানীয়দের নিকট ওই ঘটনার বনর্না করেন। স্থানীয়ভাবে ওই ঘটনার
বিচার না পেয়ে ১০ মে মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন ওই শিশুটির মা।
থেকেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে গৌরপদ ও তার আত্মীয় স্বজনেরা। যার হাত থেকে রেহাই
পেতে পুনরায় আবার ওই গার্মেন্টস কর্মীর মা প্রভাসি সরকার বাদি হয়ে ১০৭/১১৭ ধারায় আদালতে
মামলা দায়ের করেন গৌরপদসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে। এরপর থেকে গৌরপদ পরিবারের লোকজন আরও বেশি প্তি হয়ে
গেছে বলে জানান ওই গামের্ন্টস কর্মী।
মা জানান, অভাবের কারনে আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় চাকুরী করেন তিনি। তার স্বামী পেশায়
একজন নরসুন্দর হিসেবে কাজ করেন অন্যের সেলুনে।
মেয়েকে ভর্তি করেছেন স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুশ্রেনীতে। ঘটনার দিন রাতে তিনি
ও তার স্বামী বাড়িতে এসে বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়ভাবে বিচার চেয়ে ব্যার্থ হন। বিচার না পেয়ে থানায় মামলা করেন। কিন্তু মামলা করার
পর থেকেই তাকে ও তার স্বামীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন মামলা তুলে নিতে। এতে করে তিনি পরিবার
পরিজন নিয়ে বেশ বিপাকে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
পাশের এক আম গাছ থেকে আম পাড়ার চেষ্টা করতেছিলো ওই শিশুসহ বেশ কয়েকজন। এজন্য তাদেরকে ধমক
দিয়েছেন মাত্র। এছাড়া আর কিছু নয়।
যাওয়ার পর থেকে গত ৩/৪ বছরে একই এলাকায় বেশ কয়েকবার তিনি এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। প্রতিবন্ধি শিশুরাও
তার লালসার স্বিকার হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
(এসআই) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, মামলার পর থেকেই
জামিনে রয়েছেন গৌরপদ। খুব শিঘ্রই মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হবে।
জুলাই/২০১৭ইং।
