বুধবার সকাল থেকেই মানিকগঞ্জে বৃষ্টি থাকাতে অফিস ও স্কুলগামী ছাত্র- ছাত্রীদের বিরম্বনার
শ্বীকার হতে হচ্ছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে কোথায় হালকা বৃষ্টিপাত হলেও বুধবার সকাল
৭ টা থেকে মূষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সকল সাড়ে
১০ টা পযন্ত একটানা বৃষ্টি হওয়াতে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে
হচ্ছে।
উপজেলা থেকে সাটুরিয়ায় কর্মরত ফরিদা আক্তার নামে এক পেশাজীবি জানান, বুধবার সিংগাইরের
বায়রা থেকে সাটুরিয়া আসতে আসতে তার সব জামা কাপর ভিজে গেছে। আরেক ছেট কাপর ব্যাগে করে
নিয়ে এসেছি, তাই অফিস করতে পারব।
প্রশাসকের আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তা সজীব চৌধুরী জানান, অফিস বের হত এমন সময় বৃষ্টি
থাকায় ১ ঘন্টা দ্বারিয়ে থেকে রিক্সা পেয়েছি। ১০ টাকার ভারা ২৫ টাকা দিয়ে অফিসে যেতে
হয়েছে।
জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ কর্মরত ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তা মো: শরিফ জানান, সকাল থেকেই
বৃষ্টি হওয়াতে ভিজে অফিসে আসতে হয়েছে। একটানা কয়েকদিন বৃষ্টি থাকাতে ঠান্ডা লেগে গেছে।
বৃষ্টির কারনে অফিস পাড়ায় কর্মকর্তা, কর্মচারী দেরীতে আসা ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
উপস্থিতির হার কমে গেছে।
উপজেলার বালিয়াটী ঈশ্বর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আছালত জামান খান
আরিফ জানান, আমার বিদ্যালয়ের ১১১০ জন শিক্ষার্থী রয়েছ। বুধবারও ইন্টার স্কুল ফুটবল
খেলা চলছে, কিন্তু বৃষ্টির জন্য সব মিলিয়ে শতাধিক ছাত্র- ছাত্রী উপস্থিত হয়েছে।
৭ টি উপজেলার ৬৫ টি ইউনিয়নের সকল প্রাথমিক, উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজগুলিতেই বলে জানিয়েছেন
শিক্ষা জেলা কর্মকর্তাগণ ।
শয্যা হসপিটালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: মোঃ লুৎফর রহমান জানান, তার হসপিটালে ঠান্ডা
জনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তাই বৃষ্টিতে না ভিজার পরামর্শ দেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের।
হা. ফ/ ২৬ জুলাই/ ২০১৭ ইং।


