প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জে প্রায় ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। মানিকগঞ্জে যমুনা
নদীর পানি কমতে শুরু করলেও অভ্যন্তরীন নদ নদীর পানি অপরিবর্তিত রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে
যুমনা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
২ লক্ষাধিক বানবাসিদের আরও দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়াতে।
মঙ্গলবার ভোর থেকে শুরু হয়ে ১০ টা পযন্ত থেমে
বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় নিধারুন কষ্ট করতে হচ্ছে বন্যায় আক্রান্ত মানুষ গুলিদের।
শিবালয়, সদর উপজেলা, হরিরামপুর, সাটুরিয়া, দৌলতপুর ও ঘিওর উপজেলার অংসখ্য পাকা ও কাচা
সড়ক বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফষল তলিয়ে গিয়ে কৃষকের। কয়েক
শতাধিক পুকুর ডুবে গিয়েছে মৎসচাষীদের।
৬ টি উপজেলার ৩ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ রয়েছ। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের
২য় সাময়িক পরীক্ষাও স্থগিত ঘোষনা করা হয়েছে।
ব্যাপারে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসণের বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ত্রাণ কর্মকর্তা ও সহকারী
কমিশনার (মানিকগঞ্জ) মোঃ মঞ্জুর হোসেন মানিকগঞ্জ২৪.কম কে জানান, জেলার ৭টির মধ্যে ৬
টি উপজেলা ৬৫ টি মধ্যে ৪৩ টি ইউনিয়নের ৬০৩
টি গ্রামের ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৯শত ১১ জন মানুষ বানের পানিবন্ধি হয়ে পড়েছেন।
নিয়ন্ত্রণ কক্ষের এ কর্মকর্তা আরো জানান, জেলায় ২৯ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এ
বানবাসীদের জন্য এ পযন্ত ৩৭১ টন চাউল ও ১৮ লক্ষ ৪২ হাজার টাকা বরাদ্ধ করা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসাণ অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক মোঃ আলিমুজ্জামান মিঞা জানান, জেলায় ২০ হেক্টর
জমির রোপা আমন তলিয়ে গেছে । নষ্ট হয়ে গেছে ১৫০ হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত। তবে এই মূহুর্তে
কৃষকের ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ করা যায় নি বলেও জানান কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা।
বেশী কষ্ট করতে হচ্ছে কোরবানী ঈদ কে সামনে রেখে গরু মোটা তাজাকরণ খামারিদের। ৬ টি উপজেলার
প্রায় সকল ফষলি জমিতে পানি থাকায় গো খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।
ঘিওর, শিবালয়য়ের অনেক গ্রামের পানি বন্ধী অনেক মানুষের এক মাত্র যানবাহন হচ্ছে নৌকার।
হা. ফ/ ২২ আগস্ট/ ২০১৭।






