মানিকগঞ্জের যমুনার নদী পানি কমা শুরু করলেও
বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে জেলার অভ্যন্তরীণ নদ নদীর
পানি সোমবারও বৃদ্দি পাওয়ায় বিভিন্ন গ্রামের
বন্যা কবলিত মানুষের দুর্ভোগ কমেনি।
২৯টি আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে হাজার হাজার বানবাসী মানুষ কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। হরিরামপুর
উপজেলার জেলা শহরের সাথে সড়ক যোগাযোগ সোমবারও বিচ্চিন্ন আছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজি আরিফিন রেজওয়ান জানান, তার উপজেলা পরিষদ চত্তরে ৯দিন
ধরে হাটু পানি আছে। সোমাবার পানি একটু কমলেও তার দাফরিক কাজে ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া
মানিকগঞ্জ – হরিরামপুর সড়কের একাধিক সড়ক পানি
উঠে ও পরিষদ চত্তরের সাথে সড়ক ভেঙ্গে সড়ক যোগাযোগ চিচ্ছিন্ন আছে।
৭টি ইউনিয়নের মধ্যে সবগুলিতেই বন্যায় আক্রান্ত হয়ে রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশী
ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কৃষকদের ।
কর্মকর্তা শামিমা খন্দকার জানান, বানবাসী মানুষেরা বিভিন্ন উচু অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছে।
আমরা যতটুকো পারছি তাদের ত্রাণের নগদ টাকা ও চাল বিতরণ করছি।
জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, যমুনায় নদীতে পানি কমতে শুরু
করলেও জেলার অভ্যন্তরীন কালিগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও ইছামতি নদ নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আমরা সব সময় বন্যাকবলিত মানুষদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের শিবালয়ের আরিচার গেজ
রিডার (জিআর) মো. ফারুক
হোসেন জানান, মানিকগঞ্জে শুক্রবার সবোচ্চ বিপদিসীমার
৭৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও সেখানে ২৭ সেন্টিমিটার কমে সোমবার সকালে
বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আগস্ট/ ২০১৭।



