দায়। এ ব্যাংকে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি যেন এখন অপেন সিক্রেট।
নির্দেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরাও সরাসরি এসব ঘুষ গ্রহণ করছে।
হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ না দিলে ব্যাংকে নতুন একাউন্ট করা ও তার চেক বই মিলে না
। নতুন একাউন্ট খুলার জন্যে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং তাৎক্ষনিকভাবে চেক বই পাওয়ার জন্যে
৫০০ টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদেরকে।
ব্যাংকে গেলে দেখা যায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য আবুল হাসান নতুন একাউন্ট
খুলার কাজ করছেন ব্যাংকের অন্য কর্মকর্তার টেবিল চেয়ারে বসে। এতে করে যে কোনো
কাজের জন্যে তাকে বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ সাধারণ গ্রাহকদের।
গ্রামের সফিউদ্দিনের পুত্র মোমিন মিয়াকে ৬ (অক্টোবর) রোববার সকালে ব্যাংকে যান একাউন্ট খুলতে। এসময় ব্যাংকে একাউন্ট
করতে ২০০ টাকা ঘুষ প্রদাণ করেন মোমিন মিয়া। পরে একাউন্টের চেক বই পাওয়ার জন্যে আরও ৫০০ টাকা দিতে
হয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য সৈকত শরিফকে।
মধ্য দিয়েই ব্যাংকের কার্যক্রম চলছে বলে জানান আটিগ্রাম বাজারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
এক ব্যবসায়ী। টাকা ছাড়া ব্যাংকে কোন কাজ হয়না অথবা কাজ হলেও প্রচুর হয়রানিতে পড়তে হয় বলেও মন্তব্য
করেন ওই ব্যবসায়ী।
সদস্য সৈকত শরিফ জানান, ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত
ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রহমান চেক বই সই করেন। এছাড়া যাবতীয় অন্যান্য
কাজ করে দেন তিনি। এর জন্যে তিনি ৫০০ টাকা নিয়েছেন। তার ওই টাকার বড় একটি অংশ হাবিবুর রহমানকে দিতে হয়
বলেও জানান তিনি।
ম্যানেজার হাবিবুর রহমান জানান, ব্যাংকের ম্যানেজার
প্রশিক্ষনজনিত কারনে ব্যাংকের বাইরে থাকায় বর্তামানে তাকে ম্যানেজার (ভারাপ্রাপ্ত)দায়িত্ব পালন করছি। তবে ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে ও চেক বই দেওয়ার সময় গ্রাহকদের নিকট থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছে তা তার
জানা নেই।
অক্টোবর/ ২০১৭।

